শাবিপ্রবিতে রাইজ ও ইউরোকিডসের বার্ষিক উৎসব ও সমাবর্তন অনুষ্ঠিত।
আল আমিন সুমন আহমদ
সিলেট প্রতিনিধি
আজ ২৫ জুলাই (শনিবার) সকাল ১১:০০ টায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট-এর কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘রাইজ’ (রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব স্মার্ট এডুকেশন) এবং প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘ইউরোকিডস’-এর যৌথ বার্ষিক উৎসব ও সমাবর্তন অনুষ্ঠান (ক্লাস অব ২০২৬) অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির-এমপি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় মন্ত্রী জনাব খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের কারিগর। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আধুনিক, প্রযুক্তি শিক্ষায় দীক্ষিত করার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। রাইজ ও ইউরোকিডস শিশুদের মেধা বিকাশে যে যুগোপযোগী ভূমিকা পালন করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। মেধা ও প্রতিভা বিকাশে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট-এর মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ খায়রুল ইসলাম, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কতৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও সিলেট মহানগর বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট এর জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এসএমপি) মোঃ এনামুল হক, সিলেট এর পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ জাবের সাদেক, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেইন চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম প্রমুখ।
অতিথির বক্তব্যে রাখেন রয়েল এডুকেয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফয়সল আহমদ চৌধুরী এবং র্যায়ল এডুকেয়ার লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্বাগত বক্তব্যের পর ঐতিহ্যবাহী নৃত্যের মাধ্যমে মঞ্চের মূল আয়োজন শুরু হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা ঐতিহাসিক 'পলাশীর যুদ্ধ' নিয়ে একটি নাটক মঞ্চস্থ করে। ফুটবল বিশ্বকাপ উদযাপন নিয়ে বিশেষ পরিবেশনার পাশাপাশি বাংলাদেশের সুর ও সংগীতের ঐতিহ্য নিয়ে 'মিউজিক্যাল হেরিটেজ অব বাংলাদেশ', বাংলাদেশের পপ ও ব্যান্ড সংগীতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশেষ পরিবেশনা এবং 'দ্য হ্যান্ডস দ্যাট বিল্ট বাংলাদেশ' শিরোনামে চমৎকার কিছু ইভেন্ট উপস্থাপন করা হয়। সবশেষে এক জমকালো 'গ্র্যান্ড মিউজিক্যাল ম্যাশআপ ফিনালে'র মাধ্যমে সাংস্কৃতিক পর্বের সমাপ্তি ঘটে।