
টাঙ্গাইলে প্রতিহিংসার শিকার কবরস্থানের সীমানা প্রাচীর
মোঃ শাকিল হোসেন শওকত,
নাগারপুর প্রতিনিধিঃ
মানুষের প্রতি প্রতিহিংসা এবার আঘাত হেনেছে কবরস্থানেও। টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা উপজেলার ধুবড়িয়া ইউনিয়ন এর ডহর পাচুরিয়া কবরস্থানের সীমানা প্রাচীর পরিকল্পিতভাবে ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে পাশের সমাজের কিছু লোকজনের বিরুদ্ধে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দেশীয় অস্ত্র যেমন সাবল, হ্যামার ও হাতুড়ি ব্যবহার করে সংঘবদ্ধভাবে কবরস্থানের বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙচুর করা হয়। প্রায় ২০ বছর ধরে তিলে তিলে গড়ে ওঠা ৭০ শতাংশ জমির এই দৃষ্টিনন্দন কবরস্থানটির প্রতিষ্ঠাতা নিজের পরিবারের কবরের জন্য মাত্র দুই শতাংশ জমি রেখে বাকি সম্পূর্ণ জায়গা জনসাধারণের জন্য দান করেন। শুরু থেকেই কবরস্থানের উন্নয়ন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণে প্রতিষ্ঠাতা পরিবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিল।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এ ধরনের কাজ অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও অমানবিক। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।”
প্রতিষ্ঠাতা পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, হামলার নেতৃত্বে ছিলেন মৃত ওয়াজেদ খানের ছেলে জামাল বিডিআর, মৃত ময়চানের ছেলে আব্দুর রশিদ, ইকবাল মেম্বারের ছেলে সোহেল, সাচ্চু মিয়ার ছেলে সাইফুল এবং বাচ্চু মিয়ার ছেলে সফিক। তাদের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি ভাঙচুরে অংশ নেয় বলে দাবি করা হয়েছে।
ডহর পাচুরিয়া কবরস্থানের সাধারণ সম্পাদক আরিফ বলেন,
“আজ সকালে পাশের সমাজের কিছু লোকজন এসে আমাদের কবরস্থানের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে ফেলেছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”





