
কালিয়াকৈরে চন্দ্রা ত্রি- মোড়ে ধীরে ধীরে বাড়ছে মানুষ ও যানবাহনের চাপ, তীব্র যানজটের আশঙ্কা
মোঃ ইমরান হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নারীর টানে ঘর মুখো বাড়ছে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। উত্তরবঙ্গে যাতায়াতের ভরসা একমাত্র ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা বাস স্ট্যান্ড এলাকা। ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে ঘরে ফেরা মানুষ ও গণপরিবহনের চাপ ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। শনিবার দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার ছোট ছোট কিছু কলকারখানা ছুটি ঘোষণা হওয়াই এবং অনেক চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীরা যানজট এড়াতে আগেভাগেই পরিবারের সদস্যদের গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। ফলে চন্দ্রা এলাকা জুড়ে যাত্রী ও গণপরিবহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। টিকিট কাউন্টারগুলোর সামনে পরিবহনের কিছুটা জটলা দেখা গেলেও মহাসড়কের কোথাও কোনো দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়নি।
কালিয়াকৈরের চন্দ্রা -পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত হাইওয়ে মহাসড়কের উপর এবং চন্দ্রা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভাসমান দোকানের কারণে যান চলাচলে চরম ব্যাহত হচ্ছে । এসব দোকান থেকে কতিপয় ব্যক্তি প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা তুলে নিযে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে ছাত্রী সাধারণ একদিকে যেমন যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে অপরদিকে নানা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
কালিয়াকৈর উপজেলায় প্রায় তিন শতাধিক শিল্প-কলকারখানা রয়েছে। এসব কারখানা ঈদে একযোগে ছুটি হলে চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। মূলত উত্তরবঙ্গের ২৫টি জেলার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র প্রবেশমুখ এই চন্দ্রা। প্রতি ঈদে চন্দ্রা দিয়ে প্রায় ৫০ লক্ষাধিক মানুষ প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ি ফেরেন। ঢাকা, গাজীপুর, টঙ্গী ও কোনাবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী সব যানবাহনকে চন্দ্রা হয়েই যেতে হয়। ফলে এই মোড়ে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যায়।
যাত্রী সাধারনের অভিযোগ, চন্দ্রা এলাকায় অপরিকল্পিত সড়ক ডিভাইডার নির্মাণ, যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো, মহাসড়কের উপর ও পাশে বাস- কাউন্টার ও অবৈধ দোকানপাট বসানোর কারণে প্রতি বছর তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এবারও অনেক যাত্রী ডিভাইডারকেই যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে দায়ী করছেন এবং মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পুলিশকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। থ্রি-হুইলার বা তিন চাকার অটোরিকশা যান চলাচল সরকারিভাবে নিষিদ্ধ থাকলেও প্রশাসনের সামনেই মহাসড়কে সেগুলো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, যা প্রায়শই দুর্ঘটনার কারণ হচ্ছে। অটো রিক্সা চালকদের অভিযোগ চন্দ্রা এলাকায় হাইওয়ে পুলিশ প্রতিদিন ৪০-৫০ টা অটোরিকশা থেকে ২ হাজার ৬ শত টাকা নিচ্ছে, কিন্তু কোন টাকার রশিদ না দিয়ে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করতে বলেন।
নাওজোড় হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সওগাতুল আলম জানান, আগামী সোমবার থেকে পোশাক কারখানাগুলো ছুটি হলে যাত্রী ও গণপরিবহনের চাপ আরও ব্যাপক হারে বাড়বে। তবে যানজট নিরসনে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি এপিবিএন সদস্য বিশেষ নজরদারিতে থাকবেন। মানুষকে স্বস্তিতে বাড়ি ফেরাতে হাইওয়ে ও ট্রাফিক পুলিশের সব ধরনের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা রয়েছে। ফুটপাত ও সড়কে
অবৈধ দোকানপাট চন্দ্রা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় উচ্ছেদ শুরু করেছি। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য এলাকায় উচ্ছেদ করব। অটো রিক্সা থেকে ২৬ শত টাকা নেয়ার ব্যাপারে হাইওয়ে ওসি বলেন, অটোরিকশা থেকে জরিমানা ২৬শত টাকা সরকার ও উপায় যৌথ চুক্তি মোতাবেক বিকাশে নয় উপায় অ্যাপস এর মাধ্যমে বিআরটিএ কোশাগারে জমা হয় ।
মোঃ ইমরান হোসেন,
বিজয় ২৪ নিউজ





