
যশোর বিআরটিএ নিয়ে প্রকাশিত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ
যশোর প্রতিনিধি :
মোঃ রফিকুল ইসলাম সবুজ
সম্প্রতি যশোর বিআরটিএ সার্কেলকে নিয়ে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করেছে। “ইঞ্জিন না খুলেই ফিটনেস” এবং “দালাল চক্রের রাজত্ব” শিরোনামে প্রকাশিত ওই সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিআরটিএ-এর সুনাম ক্ষুণ্ণ করার ষড়যন্ত্র।
অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখিত ‘ঢাকা মেট্রো-গ-১৩-৭২৮৪’ নম্বরের গাড়িটির ফিটনেস সংক্রান্ত সকল নিয়ম-কানুন মেনেই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। মটরযান পরিদর্শক মো: নজরুল ইসলাম একজন অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও সৎ কর্মকর্তা। তিনি নিজেই গাড়ির যান্ত্রিক পরীক্ষা করেন এবং প্রয়োজনে ইঞ্জিন বক্স খুলে পরীক্ষা করেন।
“আমরা নিজেরাই গাড়ির ছবি তুলি, এখানে দালালের কোনো অস্তিত্ব নেই” – মটরযান পরিদর্শক নজরুল ইসলামের এই বক্তব্যই প্রমাণ করে বিআরটিএ দালালমুক্ত রাখতে তিনি কতটা কঠোর।
সংবাদে সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জমির হোসেন এর “আমি নতুন এসেছি” বক্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বাস্তবে তিনি যোগদানের পরপরই অফিসের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। নতুন কর্মকর্তা হিসেবে তিনি প্রতিটি ফাইলে নিজে নজর দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, আমরা কোনো অনিয়মকে প্রশ্রয় দেব না। কোনো সেবাগ্রহীতার অভিযোগ থাকলে সরাসরি আমার অফিসে আসুন।
বিআরটিএ চত্বর থেকে দালালদের উচ্ছেদ করায় একটি মহল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারাই এখন বিআরটিএ এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। চালকের বরাতে দেওয়া “অকপটে স্বীকারোক্তি” সম্পূর্ণ বানানো।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা জানান, এখন আগের চেয়ে অনেক দ্রুত এবং হয়রানিমুক্ত সেবা পাওয়া যাচ্ছে। “আগে দালাল ধরতে হতো, এখন সরাসরি অফিসাররাই কাজ করে দেন”।
যশোর বিআরটিএ একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। দু-একজনের মিথ্যা সংবাদের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করা যাবে না। আমরা এই ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।





