
ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগ নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ, ইউএনওর জিডি
মামুন মিঞা
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের নগরকান্দায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে নগরকান্দা থানায় অভিযোগটি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ।
থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের বাশাঁগাড়ী গ্রামের লাল মিয়া ফকিরের ছেলে ও একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের অ্যাডমিন কবিরুল ইসলাম এবং তালমা ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ওয়াদুদ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে কয়েকজন ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে বিভিন্ন উসকানিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ফলাফল প্রকাশের আগেই ফলাফলের নমুনা প্রকাশ করে জনসাধারণের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
এ ছাড়া ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কবিরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
নগরকান্দা থানার ওসি রাসুল সামদানী আজাদ বলেন, ইউএনওর লিখিত অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
ইউএনও রেজওয়ানা আফরিন বলেন, সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম ও সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগে উত্থাপিত তথ্যের সত্যতা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হবে।





