
শ্রেষ্ঠত্বের ধারাবাহিতা নেত্রকোণার পূর্বধলায় ফের সেরা তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর হাবিবুর রহমান
সাগর আহমেদ জজ,
নেত্রকোনা প্রতিনিধি
১১ আগস্ট, ২০২৬
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং চাঞ্চল্যকর ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে অসাধারণ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ নেত্রকোণা জেলার সেরা তদন্ত কর্মকর্তা (ইন্সপেক্টর তদন্ত) নির্বাচিত হয়েছেন পূর্বধলা থানার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পিপিএম। এর মাধ্যমে জেলা পুলিশে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের ধারা আবারও বজায় রাখলেন এই চৌকস কর্মকর্তা।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নেত্রকোণা পুলিশ লাইন্স অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি এই গৌরব অর্জন করেন। জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জনাব মো. তরিকুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে শ্রেষ্ঠত্বের সনদপত্র ও সম্মাননা তুলে দেন।
যে ক্লু-লেস মামলার সফল উদ্ঘাটনে এই স্বীকৃতি
গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে পূর্বধলার কালীহর নদী থেকে ইটে বাঁধা ও কালো শার্টে পেঁচানো এক নবজাতক কন্যা শিশুর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে পূর্বধলা থানা পুলিশ। ৯৯৯-এ প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে মরদেহটি উদ্ধারের পর সুরতহাল, ময়নাতদন্ত এবং মা-বাবার পরিচয় নিশ্চিতের জন্য ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়।
সম্পূর্ণ ক্লু-লেস এবং স্পর্শকাতর এই হত্যাকাণ্ডটির তদন্তভার গ্রহণ করেন ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পিপিএম। জেলা পুলিশ সুপার এবং পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় তিনি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও নিখুঁত তদন্ত কৌশলে দ্রুততম সময়ে মামলার মূল রহস্য উন্মোচন করেন। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত মূল আসামি মো. সাজন মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
অপরাধ পর্যালোচনা ও পুরস্কার বিতরণ
জুলাই-২০২৬ মাসের সামগ্রিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, রহস্য উন্মোচন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অফিসার ও ফোর্সদের সনদপত্র এবং নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ (ওসি) উপস্থিত ছিলেন। ইন্সপেক্টর হাবিবুর রহমানের এই অর্জনে সহকর্মীরা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।





