
ঠাকুরগাঁওয়ে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের অভিযোগ
মোঃ নুর আলম সিদ্দীক
জেলা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও।
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সনগা চৌধুরী এলাকায় রাজনৈতিক বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে মোঃ রাশেদুজ্জামান চৌধুরী রাশেদ নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত ও রক্তাক্ত জখম হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার সময় তাঁর মা সালেহাকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।
আহত রাশেদুজ্জামান চৌধুরী রাশেদ সনগা এলাকার বাসিন্দা ও রেজাউল চৌধুরীর ছেলে। তিনি বর্তমানে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক বিরোধ ও পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে রাশেদের সঙ্গে কয়েকজনের বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলায় তাঁর মাথায় আঘাত লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।
ভুক্তভোগী পক্ষের অভিযোগ, শফির নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন। অভিযুক্তদের মধ্যে শফি (পিতা—আতিবর), আবদুল খালেক (পিতা—মৃত আইনিউদ্দীন) ও মোবারক (পিতা—আইনিউদ্দীন)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন বলেও দাবি করেছে ভুক্তভোগী পক্ষ।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, শফি এলাকায় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ও প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত। তবে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্থানীয়দের বক্তব্যের ভিত্তিতে উল্লেখ করা হলো।
ঘটনার পর আহত রাশেদুজ্জামান চৌধুরী রাশেদকে চিকিৎসার জন্য বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিবারের অভিযোগ, তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তাঁর মা সালেহাকেও আঘাত করা হয়।
এ ঘটনায় বালিয়াডাঙ্গী থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পক্ষ। তারা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।





