
বিদ্যালয়ের ডাল কাটার কথা বলে ৭-৮টি সরকারি গাছ কর্তনের অভিযোগ, ধামাচাপার চেষ্টারও দাবি
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ৮ নম্বর তোয়াকুল ইউনিয়নের বীরকুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ডালপালা ছাঁটাইয়ের কথা বলে ৭ থেকে ৮টি সরকারি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্যের যোগসাজশে গাছগুলো কর্তন করা হয় এবং পরে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে কাটা গাছের গুঁড়ি কাদা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কাটা গাছগুলোর গুঁড়ি কাদা দিয়ে আচ্ছাদিত করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গাছগুলো কোনোভাবেই ঝুঁকিপূর্ণ বা বিদ্যালয়ের জন্য ক্ষতিকর ছিল না। তা সত্ত্বেও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বীরকুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকদের জানান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মৌখিক নির্দেশে গাছগুলো কাটা হয়েছে।
তবে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করতে গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, এ বিষয়ে তাদের কোনো পূর্ব অবগতি বা অনুমোদন ছিল না।
এদিকে সারি রেঞ্জের বন বিভাগের কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্তে একজন প্রতিনিধিকে ঘটনাস্থলে পাঠান। প্রাথমিক অনুসন্ধানে গাছ কাটার সত্যতা পাওয়া গেছে বলে তিনি জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, যদি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অপারগতা প্রকাশ করে, তাহলে বন বিভাগের পক্ষ থেকে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এখানে কি শেষ, না। কোমল মতি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ একমাত্র খেলাধুলার মাঠ সেটি ও নাকি প্রতি বছর বর্গা দেওয়া হয়।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের গাছ কর্তনের ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।





