
ভাঙ্গাগেট মানেই কি ভাঙ্গা
যশোর-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গাগেট রেলক্রসিংয়ে মৃত্যুফাঁদ, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
১ মাসও টেকে না সংস্কার, দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি
যশোর প্রতিনিধি :
রফিকুল ইসলাম সবুজ
৬ আগস্ট ২০২৬ নাম তার “ভাঙ্গাগেট”। কিন্তু তাই বলে কি সারাবছর এভাবে ভেঙ্গে থাকবে? যশোর-খুলনা মহাসড়কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ভাঙ্গাগেট রেলক্রসিং এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে হাজারো যানবাহন ও সাধারণ মানুষ। রাস্তাটি এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রেলক্রসিংয়ের দুই পাশেই পিচ উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ছোট গাড়ি তো দূরের কথা, মালবোঝাই ট্রাক, বাসও এই গর্ত পার হতে গিয়ে বিকল হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। চালকরা বলছেন, পাশে দ্রুতগামী ট্রাক থাকলে প্রাণ নিয়ে বাড়ি ফেরা দায় হয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, নওয়াপাড়া থেকে শুরু করে ঝিনাইদহ পর্যন্ত পুরো সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক। “গাড়ি নিয়ে আসা-যাওয়া করতে খুব ভয় লাগে। রাস্তা সংস্কার করা হলেও ১ মাসও টেকে না। এর থেকে না করাই ভালো” – ক্ষোভের সাথে বলেন এক চালক।
আরেকজন ভুক্তভোগী বলেন, “খুবই দুঃখজনক। সাধারণ মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে অতি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই রাস্তার বেহাল দশার কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে রাতের বেলা গর্ত বোঝা যায় না। ফলে মোটরসাইকেল ও ছোট যানবাহন উল্টে যাওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে।
চলাচলকারীদের দাবি, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে যশোর-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গাগেট রেলক্রসিং এলাকায় দ্রুত স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। তারা সড়ক ও জনপথ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, যশোর-খুলনা মহাসড়কটি দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম প্রধান সড়ক। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে।
যশোর প্রতিনিধি :
রফিকুল ইসলাম সবুজ
৬ আগস্ট ২০২৬ নাম তার “ভাঙ্গাগেট”। কিন্তু তাই বলে কি সারাবছর এভাবে ভেঙ্গে থাকবে? যশোর-খুলনা মহাসড়কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ভাঙ্গাগেট রেলক্রসিং এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে হাজারো যানবাহন ও সাধারণ মানুষ। রাস্তাটি এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রেলক্রসিংয়ের দুই পাশেই পিচ উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ছোট গাড়ি তো দূরের কথা, মালবোঝাই ট্রাক, বাসও এই গর্ত পার হতে গিয়ে বিকল হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। চালকরা বলছেন, পাশে দ্রুতগামী ট্রাক থাকলে প্রাণ নিয়ে বাড়ি ফেরা দায় হয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, নওয়াপাড়া থেকে শুরু করে ঝিনাইদহ পর্যন্ত পুরো সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক। “গাড়ি নিয়ে আসা-যাওয়া করতে খুব ভয় লাগে। রাস্তা সংস্কার করা হলেও ১ মাসও টেকে না। এর থেকে না করাই ভালো” – ক্ষোভের সাথে বলেন এক চালক।
আরেকজন ভুক্তভোগী বলেন, “খুবই দুঃখজনক। সাধারণ মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে অতি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই রাস্তার বেহাল দশার কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে রাতের বেলা গর্ত বোঝা যায় না। ফলে মোটরসাইকেল ও ছোট যানবাহন উল্টে যাওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে।
চলাচলকারীদের দাবি, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে যশোর-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গাগেট রেলক্রসিং এলাকায় দ্রুত স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। তারা সড়ক ও জনপথ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, যশোর-খুলনা মহাসড়কটি দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম প্রধান সড়ক। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে।





