সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন [gtranslate]
ব্রেকিং নিউজঃ
ইশ্বরীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের ওপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ। তালামীযে ইসলামিয়া হাজরাই আঞ্চলিক শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন। ইশ্বরীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের ওপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ। ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত মোল্লাহাটে বস্তাবন্দি কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন নেত্রকোনায় এতিমখানার খাবার খেয়ে অসুস্থ ২০ শিক্ষার্থী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ধানের শীষের প্রার্থী ফয়সাল আমিনের ঐক্যের আহ্বান জয়পুরহাটের পাঁচবিবির শসা ক্ষেতে মিলল টাইলস মিস্ত্রীর লাশ পর্যটনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে: ডিসি জাহিদ। রাজনীতির অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ : চৌগাছায় মেয়র পদে আতিকুর রহমান লেন্টুর বিকল্প দেখছেন না পৌরবাসী।
বিজ্ঞপ্তিঃ
ব্রেকিং নিউজ*** দেশও বিদেশ খবর পেতে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।*বিজয় ২৪ টিভি  খবর ও বিজ্ঞাপন প্রচার করতে  যোগাযোগ করুন:gmail :bijoy24tv2024@gmail.com* হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ০১৭৪৩৮৮৯০৬৮।*সবার পাশে Bijoy 24 TV* আপনারা দেখছেন বিজয় ২৪ টিভি ধন্যবাদ।
রাজীবপুরে নদীভাঙন পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্রায় ৯০০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন, দ্রুত অনুমোদনের আশ্বাস
/ ৫৯ Time View
Update : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১৩ পূর্বাহ্ন

রাজীবপুরে নদীভাঙন পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
প্রায় ৯০০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন, দ্রুত অনুমোদনের আশ্বাস
মোঃ জাফর আহমেদ, কুড়িগ্রাম জেলা সংবাদদাতা:

কুড়িগ্রামের চর রাজীবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের পূর্বপাড়ে ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র ভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ, ক্ষয়ক্ষতির চিত্র এবং চলমান প্রতিরোধ কার্যক্রম সরেজমিনে দেখতে শনিবার (৮ আগস্ট) নদীপথে ওই এলাকায় যান তিনি।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ভাঙনকবলিত এলাকার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের সমস্যার কথা শোনেন এবং নদীভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশে নদীভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে তিনি কুড়িগ্রামে এসেছেন। কুড়িগ্রামে নদীভাঙন রোধে ইতোমধ্যে ৯৩টি জরুরি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬৫-৬৬টি প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।
তিনি বলেন, চর রাজীবপুরের বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন রোধে প্রায় ৯০০ কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে দীর্ঘমেয়াদে নদীভাঙনের ভয়াবহতা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। দ্রুত প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের লক্ষ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করা হচ্ছে।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দল-মত ও ব্যক্তির পরিচয় নির্বিশেষে দেশের মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষা করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং বাঁধ সংস্কারের কাজে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। প্রকল্প বাস্তবায়নে গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ, যুগ্ন আহবায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ হোসেন লিপি সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
এ ছাড়া চর রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সায়েকুল হাসান খান, চর রাজীবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহীনুর আলম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান, সদস্য সচিব আব্দুল হাই সরকারসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতি বর্ষা মৌসুমে ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র স্রোত ও গতিপথ পরিবর্তনের কারণে কোদালকাটি ইউনিয়নের পূর্বপাড়ে ব্যাপক নদীভাঙন দেখা দেয়। একের পর এক বসতবাড়ি, আবাদি জমি, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় প্রতিবছরই নতুন করে উদ্বাস্তু হচ্ছেন অনেক পরিবার।
তাদের অভিযোগ, জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলা বা সাময়িক প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হলেও তা দীর্ঘমেয়াদে ভাঙন ঠেকাতে পারছে না। ফলে প্রতি বছর বর্ষা এলেই নতুন করে আতঙ্কে দিন কাটাতে হয় নদীপাড়ের মানুষকে।
এ অবস্থায় স্থানীয়দের দাবি, প্রস্তাবিত প্রায় ৯০০ কোটি টাকার প্রকল্প দ্রুত অনুমোদন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। পাশাপাশি চলমান জরুরি প্রকল্পগুলোতে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত, নিয়মিত তদারকি এবং অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
নদীপাড়ের মানুষের প্রত্যাশা—প্রতিমন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের নদীভাঙন সমস্যা সমাধানে কার্যকর ও স্থায়ী উদ্যোগ এবার বাস্তব রূপ পাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page

Archive Calendar

Verified by MonsterInsights