রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন [gtranslate]
ব্রেকিং নিউজঃ
রাজীবপুরে নদীভাঙন পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্রায় ৯০০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন, দ্রুত অনুমোদনের আশ্বাস মহেশখালীর কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে প্রেমের টানে চীনা প্রেমিক মেয়ের পরিবার রাজী না হওয়ায় ফিরে গেছে ঢাকার উদ্দেশ্যে। কালিয়াকৈরে সরকারি কলেজে জুলাই দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে পালন না করায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও ভাঙচুর কুমিল্লায় একসাথে পাঁচ সন্তানের জন্ম, ২৪ ঘণ্টায় চার নবজাতকের মৃত্যু। অভিনব কায়দায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ক্রেতা সেজে প্রেফতার: রাজশাহী জেলা পুলিশ ষড়যন্ত্র রুখে উন্নয়নের আহ্বান জানালেন এমপি আখতারুজ্জামান বাচ্চু ত্রিশালে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার জনসেবায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী কেরামত আলী দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদে সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী
বিজ্ঞপ্তিঃ
ব্রেকিং নিউজ*** দেশও বিদেশ খবর পেতে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।*বিজয় ২৪ টিভি  খবর ও বিজ্ঞাপন প্রচার করতে  যোগাযোগ করুন:gmail :bijoy24tv2024@gmail.com* হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ০১৭৪৩৮৮৯০৬৮।*সবার পাশে Bijoy 24 TV* আপনারা দেখছেন বিজয় ২৪ টিভি ধন্যবাদ।
রাজীবপুরে নদীভাঙন পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্রায় ৯০০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন, দ্রুত অনুমোদনের আশ্বাস
/ ৩ Time View
Update : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১৩ পূর্বাহ্ন

রাজীবপুরে নদীভাঙন পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
প্রায় ৯০০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন, দ্রুত অনুমোদনের আশ্বাস
মোঃ জাফর আহমেদ, কুড়িগ্রাম জেলা সংবাদদাতা:

কুড়িগ্রামের চর রাজীবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের পূর্বপাড়ে ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র ভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ, ক্ষয়ক্ষতির চিত্র এবং চলমান প্রতিরোধ কার্যক্রম সরেজমিনে দেখতে শনিবার (৮ আগস্ট) নদীপথে ওই এলাকায় যান তিনি।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ভাঙনকবলিত এলাকার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের সমস্যার কথা শোনেন এবং নদীভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশে নদীভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে তিনি কুড়িগ্রামে এসেছেন। কুড়িগ্রামে নদীভাঙন রোধে ইতোমধ্যে ৯৩টি জরুরি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬৫-৬৬টি প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।
তিনি বলেন, চর রাজীবপুরের বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন রোধে প্রায় ৯০০ কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে দীর্ঘমেয়াদে নদীভাঙনের ভয়াবহতা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। দ্রুত প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের লক্ষ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করা হচ্ছে।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দল-মত ও ব্যক্তির পরিচয় নির্বিশেষে দেশের মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষা করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং বাঁধ সংস্কারের কাজে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। প্রকল্প বাস্তবায়নে গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ, যুগ্ন আহবায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ হোসেন লিপি সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
এ ছাড়া চর রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সায়েকুল হাসান খান, চর রাজীবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহীনুর আলম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান, সদস্য সচিব আব্দুল হাই সরকারসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতি বর্ষা মৌসুমে ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র স্রোত ও গতিপথ পরিবর্তনের কারণে কোদালকাটি ইউনিয়নের পূর্বপাড়ে ব্যাপক নদীভাঙন দেখা দেয়। একের পর এক বসতবাড়ি, আবাদি জমি, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় প্রতিবছরই নতুন করে উদ্বাস্তু হচ্ছেন অনেক পরিবার।
তাদের অভিযোগ, জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলা বা সাময়িক প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হলেও তা দীর্ঘমেয়াদে ভাঙন ঠেকাতে পারছে না। ফলে প্রতি বছর বর্ষা এলেই নতুন করে আতঙ্কে দিন কাটাতে হয় নদীপাড়ের মানুষকে।
এ অবস্থায় স্থানীয়দের দাবি, প্রস্তাবিত প্রায় ৯০০ কোটি টাকার প্রকল্প দ্রুত অনুমোদন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। পাশাপাশি চলমান জরুরি প্রকল্পগুলোতে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত, নিয়মিত তদারকি এবং অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
নদীপাড়ের মানুষের প্রত্যাশা—প্রতিমন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের নদীভাঙন সমস্যা সমাধানে কার্যকর ও স্থায়ী উদ্যোগ এবার বাস্তব রূপ পাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
Verified by MonsterInsights