
ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুরে সুদখোর গংদের বিরুদ্ধে অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় সাংবাদিক গোলাম রাব্বানীর উপর সন্ত্রাসী হামলাঃ
আকতারুল হক প্রধান
স্টাফ রিপোর্টার।
ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার গেদুড়া ইউনিয়ন বনগাঁও বাজারে গতকাল রাত আনুমানিক ৯:৩০ মিনিটে বনগাও হাফিজা মাদ্রাসার সামনে মুল পাকা রাস্তার উপর সুদখোর সিরাজুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম নজু,,,,,,সহ,,, আরও ৪/৫ জন, সাংবাদিক গোলাম রাব্বানীর উপর অতর্কিত হামলা করেন,ঘটনার সময় সুদখোর সিরাজুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম নজু হত্যার উদ্দেশ্যে গলা টিপে ধরেন,এবং নজুর বড় ছেলে সহ আরও অনেক জন মাথায় মুখে পায়ের নিচে দেহের বিভিন্ন জায়গায় কিল ঘুষি, লাথি ফোলা জখমী করলে ঘটনা স্থানে সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী মাটিতে লুটিয়ে পড়লেও সুদখোর সিরাজুল ইসলাম সহ তার ভাই ছেলে ভাতিজারা হামলা করতে ছাড়েননি, সাংবাদিক গোলাম রাব্বানীর পকেটে থাকা মোটা অংকের টাকা,মানবাধিকার প্রতিদিন সাংবাদিক আইডি কার্ড, পকেটে থাকা মানিব্যাগ এর ভিতরে থাকা জাতীয় এন আইডি কার্ড সহ বিভিন্ন কাগজ পত্র এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি সহ ছিনিয়ে নেওয়া হয়,
এমন ঘটনা দেখে বাজারে থাকা স্থানীয় লোকজন দৌড়ে আসলে সাংবাদিক গোলাম রাব্বানীর উপর হামলা করতে বারণ করেন তার পরও তারা হামলা চালিয়ে যান,পরে হামলা কারির লোকজন হামলা করে চলে গেলেও তারা খ্যান্ত হয় নি,
বাজারের আশে পাশে কিংবা ফাঁকা জায়গা সাংবাদিক গোলাম রাব্বানীকে একা পাইলে হাত পা ভেঙ্গে হত্যা করবেন বলে চলে যান হামলা কারিরা,
বাজারে থাকা স্থানীয় লোকজন সাংবাদিক গোলাম রাব্বানীকে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যেতে বলেন, পরে সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী তার ছোট ভাইদের সহযোগিতায় রাতেই রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়।
তিনি অনেক অসুস্থ জনিত কারণে চিকিৎসা নিচ্ছেন,
স্থানীয় সুত্রে এবং বাজারে থাকা বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে ঘটনার সত্যতা সঠিক বলেজানা যায়, সুদখোর সিরাজুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম নজু সহ তার ভাতিজারা সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী কে হত্যার উদ্দেশ্যে হাতে থাকা রড,বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করেছেন বলে জানা যায়,
স্থানীয় সুত্রে বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সুদখোর সিরাজুল ইসলাম এবং নজরুল ইসলাম নজু সুদের কারবারির টাকা নিয়ে গ্রামের গরিব অসহায় পরিবারের লোকজনদের সাথে টাকা নিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি করেন, এর আগেও এলাকার কিছু কিছু লোকজনের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন, সুদখোর সিরাজুল ইসলাম এবং নজরুল ইসলাম নজু কে সুদের টাকা
সঠিক সময়ে টাকা দিতে না পারলে জোর করে বাসা থেকে গরু, ছাগল, মোটরসাইকেল কেড়ে হয়,
জোর করে নেওয়া হচ্ছে ফাঁকা স্ট্যাম্পে, এবং ফাঁকা ব্যাংক চেকে টিপ,কিংবা স্বাক্ষর। পরবর্তী ফাঁকা চেক এবং ফাকা স্ট্যাম্পে মনের উচ্ছা মতো বসানো হচ্ছে মোটা অংকের টাকা, দেওয়া হচ্ছে মামলা,
এই ভাবে তারা সুদের টাকা নিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি করে টাকার গরম দেখিয়ে রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন, এমন ঘটনা নিয়ে
এলাকায় ভক্তভোগী লোকজন সুদখোরদের জুলুম অত্যাচারে অনেকে হয়েছেন ঘড় বাড়ি ছাড়া, অনেকে সুদের টাকা বহন করতে করতে একপর্যায়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে।
সুদখোরদের এমন জুলুম নির্যাতন মিথ্যা মামলা থেকে ভক্তভোগী মানুষ কবে মুক্তি পাবেন, কবে বন্ধ করা হবে এমন সুদখোর দের জুলুম অত্যাচারী কারবার,
আইন প্রশানের নজরদাড়ী কামনা করেছেন ভক্তভোগী সহ স্থানীয় লোকজন।





