
গাজীপুর পুলিশ কমিশনারকে ক্লোজ করা নিয়ে নানা আলোচনা
মো. এনামুল ইসলাম
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার ডিআইজি ড. মো. নাজমুল করিম খানকে পুলিশ সদর দপ্তরের সিদ্ধান্তে ক্লোজ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা ও মতামত দেখা দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা দাবি করেন, পুলিশ সদর দপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে তাকে ক্লোজ করলেও এর পেছনে আরও কিছু কারণ থাকতে পারে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। তবে এসব বিষয়ে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশিত হয়নি।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রতিষ্ঠার পর থেকে কমিশনার এবং কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঢাকায় অবস্থান করে দাপ্তরিক কাজে যাতায়াত করতেন। ড. মো. নাজমুল করিম খানও একই পদ্ধতিতে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে তারা দাবি করেন। তাদের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত এই বিষয়টি নিয়ে আগে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া না হলেও তার যোগদানের কয়েক মাস পর কেন বিষয়টি আলোচনায় এলো, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এ কর্মকর্তাদের মতে, সরকারি বাসভবন বরাদ্দ না থাকলে একজন পুলিশ কমিশনারের পক্ষে নিজ উদ্যোগে নিরাপদ বাসস্থান ভাড়া নিয়ে পরিবারসহ বসবাস করা ব্যয়সাপেক্ষ ও নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জের বিষয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীতিগত দিকনির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।
ড. মো. নাজমুল করিম খান বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তিনি ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সালে অবসরে পাঠানো হলেও পরবর্তীতে ২৮ আগস্ট ২০২৪ চাকরিতে পুনর্বহাল হন। এরপর ১২ নভেম্বর ২০২৪ তিনি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে ১ মে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।





