
শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি উপলক্ষে সীতাকুণ্ডে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে অংশগ্রহণের আহ্বান রতন কুমার নাথের।
নিজ্জ্বল সাহা
স্টাফ রিপোর্টার,
চট্টগ্রাম জেলা।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি ও জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সীতাকুণ্ডের সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ধর্মপ্রাণ মানুষের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সীতাকুণ্ড জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সম্মানিত সভাপতি বাবু রতন কুমার নাথ।
শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সকাল ৯টায় সীতাকুণ্ডে অনুষ্ঠিত হবে বর্ণাঢ্য র্যালি ও শোভাযাত্রা। সীতাকুণ্ডের গজারিয়া দিঘির পাড় থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণের মাধ্যমে এ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
শোভাযাত্রাকে ঘিরে ইতোমধ্যে সনাতনী সম্প্রদায়ের মধ্যে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। শোভাযাত্রায় সনাতনী ভক্তরা ধর্মীয় সংগীত, কীর্তন ও বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজনের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করবেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এদিকে, শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় সীতাকুণ্ডের সকল সনাতনী ভক্ত, ধর্মপ্রাণ মানুষ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন সীতাকুণ্ড জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু রতন কুমার নাথ।
তিনি বলেন, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র একটি দিন। এই দিনে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন করা হবে। সীতাকুণ্ডের সকল সনাতনী ভক্তের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এবারের শোভাযাত্রা আরও বর্ণাঢ্য ও সুন্দর হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী সকলকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের পরিবেশে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
সীতাকুণ্ড জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় গজারিয়া দিঘির পাড়ে সকল সনাতনী ভক্তকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত এ বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সীতাকুণ্ডের সনাতনী সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় করবে—এমনটাই প্রত্যাশা আয়োজকদের।





