মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন [gtranslate]
ব্রেকিং নিউজঃ
দেশ বাঁচাতে হলে গাছ লাগাতে হবে’ লাভলুর আহ্বানে পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঠাকুর গাঁও এ মাদক বিরোধী কর্মশালায় মাননীয় এলজিআরডি মন্ত্রী জনাব মোঃ ফখরুল ইসলাম আলমগীরঃ নড়াইলের লোহাগড়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগে স্ত্রী আটক সালথায় এগিয়ে চলছে ‘রতন শেখ বিশেষ শিক্ষা প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের’ নির্মান কাজ গোবিন্দগঞ্জে ইয়াবা সেবনের দায়ে দুইজনের এক মাসের কারাদণ্ড ঈদগাঁও ও মহেশখালীতে নতুন ফায়ার স্টেশন স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু নীলফামারী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে তৃণমূলে অসন্তোষের অভিযোগ জবির সংগীত বিভাগে ‘জুলাই বিপ্লব ২০২৪’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত রুপগঞ্জে চেতনানাশক মিশিয়ে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা, আটক দুই নারী ছিনতাইকারী চিলমারীতে “নদী ভাঙন রোধ ও বাঁধের ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য স্থায়ী সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞপ্তিঃ
ব্রেকিং নিউজ*** দেশও বিদেশ খবর পেতে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।*বিজয় ২৪ টিভি  খবর ও বিজ্ঞাপন প্রচার করতে  যোগাযোগ করুন:gmail :bijoy24tv2024@gmail.com* হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ০১৭৪৩৮৮৯০৬৮।*সবার পাশে Bijoy 24 TV* আপনারা দেখছেন বিজয় ২৪ টিভি ধন্যবাদ।
নড়াইলে মুলিয়া খেয়াঘাট বরাদ্দ দিয়ে বিএনপি অফিস করার নামে পঞ্চাশ হাজার টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ
/ ৭৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ন

নড়াইলে মুলিয়া খেয়াঘাট বরাদ্দ দিয়ে বিএনপি অফিস করার নামে পঞ্চাশ হাজার টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ

মো তুহিন মোল্লা ;
নড়াইল প্রতিনিধি:সরকারি রাজস্ব ফাকি দিয়ে নড়াইলের মুলিয়া ইউনিয়নের মুলিয়া খেয়াঘাট দীপক বিশ্বাস ও অংশ নামে স্থানীয় দুই মাঝিকে বরাদ্দ দিয়ে বিএনপি অফিস করার নামে ৫০ হাজার টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে মুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পলাশ মল্লিকের বিরুদ্ধে।

সরজমিনে মুলিয়া খেয়াঘাট গিয়ে জানা যায়, মুলিয়া ইউনিয়নের পানতিতা গ্রামের রতন বিশ্বাস নামে এক মাঝি সরকারি বিধি মেনে খেয়াঘাট ইজারা নিয়ে যাত্রী পারাপার করতেন। আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর থেকে সরকারি কোনো বিধি না মেনে পেশিশক্তির প্রভাব বিস্তার করে রতন বিশ্বাসকে উচ্ছেদ করে দেয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পলাশ মল্লিক, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সিহাবুর রহমান সিহাবসহ বিএনপির কিছু নেতারা। পরে ইউনিয়ন বিএনপির অফিস করার নাম করে পানতিতা গ্রামের দীপক বিশ্বাস ও অংশের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে তাদের খেয়াঘাটের দায়িত্ব দেয়। তবে বিএনপির অফিস করার নামে চাঁদা নেওয়া হলেও, হয়নি বিএনপি অফিস।

খেয়াঘাটের আগের মাঝি রতন বিশ্বাস বলেন, আমি গরিব মানুষ বাপু। সরকারি খাস জমিতে বসবাস করি। আমার কোনো জায়গা জমি নেই। এই ঘাটে নৌকায় যাত্রী পারাপার করে সংসার চালাতাম। আমার কাছে মুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পলাশ মল্লিক ৫০ হাজার টাকা চাঁদা চায়ছিলো আমি দিতে না পারায় আমাকে এখান থেকে তাড়িয়ে দেছে। বৌ ছেলে মেয়ে নিয়ে এখন খুব কষ্টে আছি। আমি সরকারি জমিতে বসবাস করি।

এদিকে নতুন মাঝি অংশ বিশ্বাস বলেন, মুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পলাশ মল্লিক, চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ অধিকারী, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সিহাবুর রহমান সিহাবসহ বিএনপির কয়েকজন নেতা বসে আমাকে ও দীপক বিশ্বাস নামে আরেকজনকে এই ঘাট দিয়েছে। পরে ইউনিয়নে বিএনপির অফিস করবে বলে আমাদের কাছ থেকে মুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পলাশ মল্লিক ৫০ হাজার টাকা নিছে। তিনি আরও বলেন, পরর্বতীতে আমাকে বাদ দিয়ে শুধু দীপক বিশ্বাসকে ঘাটের দায়িত্ব দিছে।

মুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিন্দ্রনাথ অধিকারী বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় আমি ঘাট ইজারা দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি দেই। তখন সরকারের রাজস্ব ফাকি দেওয়া হচ্ছে মর্মে দীপক বিশ্বাস নামে একজন জেলা প্রশাসক বরাবর একটি দরখাস্ত দেয়। পরে আমাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাকে ডাকে। তখন ইউনিয়ন পরিষদ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ইজারা দিতে পারবে সেই সব কাগজপত্র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করি। এরপরে স্থানীয়  এবং জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সিহাবুর রহমান সিহাব, ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি পলাশ মল্লিকসহ কয়েকজন বিএনপি নেতা বসে একটা সাদা কাগজে লিখিতর মাধ্যমে দীপক বিশ্বাসকে ঘাটের দায়িত্ব দেয়। এখানে উপস্থিত সবার স্বাক্ষর থাকলেও আমি ওই কাগজে স্বাক্ষর করিনি।

জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শিহাব বলেন, নদীপাড়ের মানুষ যাতে সহজে নির্বিঘ্নে নদী পারাপার হতে পারে তার জন্য আমরা কয়েকজন বসে ওদের ঘাটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে বিএনপির অফিস করার নামে চাঁদাবাজির ঘটনা আমার জানা নাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পলাশ মল্লিক বলেন, অফিস করার জন্য ৫০ হাজার টাকা নিছিলাম। সেই টাকা আমার কাছে রয়েছে। বিএনপি অফিস করার জন্য রাজস্ব ফাকি দিয়ে আপনি চাঁদা নিতে পারেন কি না জানতে চাইলে ঝামেলায় আছি বলে ফোন কেটে দেন তিনি।

নড়াইল জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজুর রহমান আলেকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে চাননি।###

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page

Archive Calendar

Verified by MonsterInsights