
বিয়ের নামে আর কত কাবিন ব্যাবসা?..
আভিযোগ উঠেছেন মুক্তা বেগম নামে এক নারীর বিরুদ্ধে..
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের গোপালপুর গড়েয়া গ্রামের মোঃ মজিবর রহমানের কন্য মোছাঃমুক্তা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক (১১) টি বিয়ের অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা গেছে মুক্তা বেগম একাধিক স্বামী থাকা স্বত্তেও তর্থ্য গোপন করে একাধিক বিয়ে করেছেন মুক্তা বেগম।
আভিযোগ উঠেছেন মুক্তা বেগম বর্তমানে জুয়েল ইসলাম নামে যে ব্যাক্তিকে স্বামী হিসাবে পরিচয় দিচ্ছে তার স্বপক্ষে বিবাহের কোন বৈধ কাগজপত্র নাই।।
এনিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে যে মুক্তাবেগম অত্র এলাকায় বসবাস করলে সামাজিক ও ধর্মীয় মুল্যবোধের অবক্ষয় হচ্ছে। যা তরুন যুবক যুবতীদের বিপথগামী করার প্রচন্ড ঝুঁকি আছে।
এছাড়াও মুক্তা বেগম এর আরেক স্বামী মোঃ ওয়াজেদ আলী অভিযোগ করে বলেন মুক্তা বেগম প্রায় সময় বিভিন্ন ধরনের পুরুষের সাথে অবৈধভাবে শারিরীক সম্পর্ক করিতেছ, যা তিনি বাধা করলে মুক্তা বেগম ওয়াজেদ আলী কে প্রাণনাশের হুমকি দেন তিনি আরো বলেন যে মুক্তা বেগম প্রথম স্বামী মোঃ জুয়েল ইসলাম, জনৈক আব্দুল হাকিম,জনৈক মোঃ খায়রুজ্জামান, জনৈক মৃত আতাউর রহমান, জনৈক আলমগীর হোসেন,জনৈক মোঃ রাসেদ, জনৈক আঃ হালিম, জনৈক ওয়াজেদ আলী, জনৈক কাশেম এবং বর্তমানে যাকে স্বামী পরিচয় দিচ্ছে জুয়েল ইসলাম সহঙ গোপনে আরো ৪/৫ টি বিয়ে করে কাবিন ব্যাবসা ফাঁদে ফেলেন মুক্তা বেগম ও মোঃ জুয়েল ইসলামসহ তার হানি ট্যাগ চক্রবাহীনি।
বিভিন্ন পেশার ধনবান বা উচ্চ চাকুরীজীবিদের টার্গেট করেন এই হ্যানিট্যাগ চক্রবাহীনির মুল হোতা মুক্তা বেগম ও জুয়েল ইসলাম।
সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা গেছে মুক্তা বেগম বিভিন্ন সময় প্রেমের ফাদে ফেলে বিয়ে করে মোটা অংকের কাবিন করে তারপর কাউকে মামলার দেখিয়ে বা কারো নামে মামলা করে কাবিনের টাকা হাতিয়েনিয়েছেন এই হানিট্যাগ চক্রের মুল হোতা মুক্তা বেগম
পাওয়া গেছে মুক্তা বেগম বাদি হয়ে বিভিন্ন সময় করেছেন বিভিন্ন মামলা।
এছারাও মুক্তা বেগম জনৈক নাসিরুল নামে এক ব্যাক্তিকে প্রেমের ফাদে ফেলে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন হানিট্যাপ চক্রের মুল হোতা মুক্তা বেগম ও তার স্বামী জুয়েল ইসলাম।
অভিযোগ করেন, নাসিরুল ইসলাম, বলেনপ্রেমের ফাদে ফেলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এই মুক্তা বেগম, পরে নাসিরুলের স্ত্রী মোছাঃ বিউটি আক্তার উক্ত প্রেমের বিষয়টি জানতে পারলে মুক্তা বেগমকে নিষেধ করলে মুক্তা বেগম মোটা অংকের টাকা দাবি করেন।নাসিরুল ও তার স্ত্রী উক্ত টাকা দিতে আস্বিকার করলে পুর্বের স্বামীদের ন্যায় নাসিরুল ও তার স্ত্রী মোছাঃ বিউটি আক্তারের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী নাসিরুল ও তার স্ত্রী মোছাঃ বিউটি আক্তার।
এ বিষয় মুক্তা বেগম ও তার পাতানো স্বামী জুয়েল ইসলাম কে মুঠো ফোনে কল করলে সাংবাদিক পরিচয় পেলে কোন কথা না বলে ফোন কাটে দেন পরবর্তীতে একাধিক বার ফোন দিলেও আর ফোন ধরেন না।





