
কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় সরকারিকরণের ৩৩ বছর অপেক্ষা , কটিয়াদিবাসী।
সরকারিকরণের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক শর্ত রয়েছে। দীর্ঘদিনের এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আরিফুর রহমান কাঞ্চন বলেন, ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যালয়টি নারী শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ১৯৯৩ সালে সরকারিকরণের ঘোষণা দেওয়ার পরও এতো বছর তা বাস্তবায়িত হয়নি। কটিয়াদীবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, এবার এর সমাধান হোক। প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে আছেম স্থানীয়রা। কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে নারী শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেওয়া সরকারিকরণের ঘোষণা এত বছরেও বাস্তবায়িত না হওয়া দুঃখজনক। তিনি বলেন, বিদ্যালয়টির সরকারিকরণের বিষয়টি দীর্ঘদিনের দাবি। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। আমি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সচিব ডা: কামাল উদ্দিন সিদ্দিকীর প্রেরিত চিঠিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আনার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। বিদ্যালয়টি সরকারি কর্মের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণ হতে পারে। তিন দশক আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো সেই চিঠি এখন বিদ্যালয়ের পুরোনো নথির অংশ। ৩৩ বছর ধরে প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অপেক্ষায় থাকা একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে সেটিই হয়ে আছে দীর্ঘ প্রতীক্ষার দলিল। আগামী ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কটিয়াদীতে আসছেন এই সফর ঘিরে তাই শুধু রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক আয়োজন নয়, স্থানীয় শিক্ষাঙ্গনেও তৈরি হয়েছে আলাদা প্রত্যাশা। কটিয়াদীবাসীর প্রশ্ন একটাই ১৯৯৩ সালে মায়ের দেওয়া প্রতিশ্রুতি কি ৩৩ বছর পর ছেলের হাতে বাস্তবায়িত হবে?এখন সেই সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পুরো কটিয়াদীবাসী।





