
হাজার হাজার মানুষ পাচ্ছে না সেবা অথচ লক্ষ লক্ষ টাকার মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ লুকিয়ে পড়ে ফেলল
বোচাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
স্টাফ রিপোর্টার
মিজানুর রহমান
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। হাসপাতালে রেখেই ঔষধের মেয়াদ উত্তীর্ণ করে গোপনে পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। জানে না কেউ। ঔষধ বঞ্চিত হচ্ছে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা দরিদ্র মানুষ।
১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে বোচাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা রুগীদের সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, হাসপাতালের পিছনে হাজার হাজার টাকার সরকারী ঔষধ পুড়ে ফেলা হয়েছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা যায়, জ্বর, ঠান্ডা, হাইপ্রেসারসহ বিভিন্ন রোগের ঔষধ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ বিজয় কুমার রায় এর সাথে মুঠোফো কথা হলে তিনি জানান, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানতাম না। কিছুক্ষুন আগে আমি ঔষধ পোড়ানোর বিষয়টি অবগত হয়েছি। হাসপাতালে এসে বিষয়টি খতিয়ে দেখব। এবিষয়ে হাসপাতালের (আরএমও) ডাঃ আব্দুল্লাহ আল এনাম জানান, হাসপাতালের মেয়াদউত্তীর্ণ ঔষধ পুড়িয়ে ফেলার নিয়ম আছে। তবে তা বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লুএইচও) এবং মেডিক্যাল বর্জ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুয়ায়ী পোড়ানো হবে। হাসপাতালের পিছনে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পোড়ানো হচ্ছে শুনে আমিও দেখতে এলাম। আপনারা এ বিষয়ে স্যারের সাথে কথা বলুন। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোর কিপার মো. রাহাত জানান, হাসপালের ঔষধ পোড়ানোর বিষয়টি আমি অবগত নই। তবে অপারেশন থিয়েটার (ওটি) পরিস্কার পরিচ্ছ করা হচ্ছে । বর্জ আর্বজনার সাথে মেয়াদ উত্তীর্ণ কিছু ঔষধ হয়তো বা লেবাররা পুড়িয়েছে। বিষয়টি আমার সঠিক জানা নেই।
এদিকে সরকারী নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ঔষধ পুড়ে ফেলার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার সচেতন মানুষ প্রত্যাশা করছে জরুরী ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ ঔষধ পুড়িয়ে ফেলার বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের পাশা পাশি আগামীতে নিয়মনীতি অনুয়ায়ী হাসপাতালটি পরিচালিত হবে এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা দরিদ্র মানুষ ঔষধ পাবে।
ক্যাপশনঃ দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভবনের পিছনে নিয়ম নীতি ছাড়াই গোপনে পুড়িয়ে ফেলা হলো হাজার হাজার টাকার মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জানেনা কেউ।





