
দারিয়াপুর কলেজের নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
গাইবান্ধা থেকে মোঃ আবু জাফর মন্ডলঃ:
গাইবান্ধার দারিয়াপুর হাজী ওসমান গনি ডিগ্রি কলেজে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ নিয়ে ওঠা অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের দাবি উঠেছে। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। একই সঙ্গে অভিযোগের নামে কাউকে হয়রানি না করে স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে দারিয়াপুরের তেঁতুলতলায় ‘সচেতন দারিয়াপুরবাসী’-এর ব্যানারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচি শেষে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন লিলি রানী, ফরিদুল ইসলাম, আপন কুমার, শীতল, মমিন, ওয়াহেদুন্নবী, তহিদুল ইসলাম, সজীব সরকার ও দিলীপ কুমারসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বক্তারা বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। নিয়োগে আর্থিক লেনদেন কিংবা অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা কোনোভাবেই উপেক্ষা করা যাবে না। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
তাঁরা আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগের সুষ্ঠু নিষ্পত্তি না হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। তদন্তের নামে দীর্ঘসূত্রতা কিংবা প্রভাবশালীদের রক্ষার চেষ্টা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। তবে অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণ করতে হবে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে।
স্মারকলিপিতে নিয়োগপ্রক্রিয়ার অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন, নিয়োগসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
সমাবেশ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে পরবর্তী সময়ে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। প্রয়োজনে গাইবান্ধা জেলাজুড়ে ধারাবাহিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে যোগ্য প্রার্থীদের অধিকার রক্ষায় প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেন বক্তারা।
এ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষের সাথে মুঠোফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি।





