সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
ব্রেকিং নিউজঃ
জিয়া সাইবার ফোর্স কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন নাগরপুর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ফারুক আহমেদ খান সম্পাদক পরিষদের সদস্য হলেন পূর্বদেশ_সম্পাদক মুজিবুর রহমান সিআইপি। সরকারি ছুটির দিনে সরকারি গাড়ির ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন, যশোরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি ড্রাইভার। দুই বছরেও শেষ হয়নি সড়ক কাজ: কুমিল্লায় ভোগান্তি বাড়ছে, প্রশ্নে উন্নয়ন কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ৩৩ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ধুলায়, চিকিৎসার অভাবে কাঁদছে কুড়িগ্রামের মানুষ,জবাবদিহি কবে?” কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে বগুড়া দই ঘরে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান, ১২ হাজার টাকা জরিমানা ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন থামাতে সাহেবের আলগা থেকে মোহনগঞ্জ পর্যন্ত স্থায়ী বাঁধের দাবিতে মানববন্ধন: ‘চর বাঁচলে কুড়িগ্রাম বাঁচবে’ ঠাকুর গাঁও ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন কতৃক আয়োজিত ফ্রি আই ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত হয়ঃ সেতাবগঞ্জে “মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট”-এর জমকালো উদ্বোধন আশুলিয়ায় পুলিশের উপস্থিতিতে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় গ্রেপ্তার এস কে শফিক জামিনে মুক্ত; ফের হত্যার হুমকির অভিযোগে এলাকায় উত্তেজনা।
বিজ্ঞপ্তিঃ
ব্রেকিং নিউজ*** দেশও বিদেশ খবর পেতে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।*বিজয় ২৪ টিভি  খবর ও বিজ্ঞাপন প্রচার করতে  যোগাযোগ করুন:gmail :bijoy24tv2024@gmail.com* হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ০১৭৪৩৮৮৯০৬৮।*সবার পাশে Bijoy 24 TV* আপনারা দেখছেন বিজয় ২৪ টিভি ধন্যবাদ।
হবিগঞ্জের বাহুবলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পাঠদান
/ ৩০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন

হবিগঞ্জের বাহুবলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পাঠদান

আজিজুল হক সানু, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার ১ নং মিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকি ফেটে দীর্ঘদিন ধরে ছড়িয়ে পড়েছে অসহনীয় দুর্গন্ধ। ফলে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জানালা বন্ধ করে, অনেক সময় নাক-মুখ চেপে ধরেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টয়লেটের ট্যাংকি ফেটে থাকলেও তা সংস্কারে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছেন না প্রধান শিক্ষক। ফলে বিদ্যালয়ের পরিবেশ দিন দিন অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠছে। দুর্গন্ধময় পরিবেশে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতেও অনাগ্রহ প্রকাশ করছে।
সোমবার (১৫ জুন) মো. ফরিদ মিয়া নামের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, বিদ্যালয়ের খোলা ও ক্ষতিগ্রস্ত টয়লেট থেকে সারাক্ষণ দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। শ্রেণিকক্ষে বসে শিক্ষার্থীদের পাঠ গ্রহণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে শিক্ষার পরিবেশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
অভিভাবকদের আরও অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বাস্থ্যসম্মত ওয়াশরুম নির্মাণ করা হলেও প্রধান শিক্ষক সেটি ব্যবহার করতে দিচ্ছেন না। ফলে বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্গন্ধযুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবহার করতে হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক জানান, দীর্ঘদিন ধরে টয়লেটের এই সমস্যার কারণে স্বাভাবিকভাবে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।
তারা বলেন, দুর্গন্ধের কারণে অনেক সময় জানালা বন্ধ করে ক্লাস নিতে হয়। এমনকি নাক-মুখ চেপে ধরেও পাঠদান চালিয়ে যেতে হয়। এই পরিবেশ যেমন শিক্ষকদের জন্য বিব্রতকর ও অস্বাস্থ্যকর, তেমনি শিক্ষার্থীদের জন্যও অত্যন্ত ক্ষতিকর।
শিক্ষকরা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে বহুবার প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। প্রতিবারই তিনি করছি, ‘করে দেব’ বলে আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কোনো পদক্ষেপ নেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহকারী শিক্ষক বলেন, আমরা প্রধান শিক্ষককে বলেছি, উন্নতমানের চেয়ার-টেবিল আমাদের প্রয়োজন নেই। আগে বিদ্যালয়ের পরিবেশ শিক্ষার উপযোগী করুন। প্রতিবছর বিদ্যালয়ে বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ আসে, পরিচ্ছন্নতার জন্যও বরাদ্দ রয়েছে। সেখান থেকে সামান্য ব্যয় করলেই সমস্যার সমাধান সম্ভব। কিন্তু কোনো উদ্যেগ নেননি।
এদিকে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলামও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে লিখিত আবেদন করেছেন। তবে অভিযোগ দায়েরের দেড় মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত বা দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা রহস্যজনক নীরবতা পালন করছেন। তাদের দাবি, অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককের অনিয়ম-দুর্নীতি আড়াল করতেই তদন্ত কার্যক্রম বিলম্বিত করা হচ্ছে। এতে শিক্ষা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিভাবক আকতার হোসেন বলেন, তৃতীয় শ্রেণির পাশে ট্যাংকি থাকায় শিক্ষার্থীরা দুর্গন্ধে ক্লাস করতে পারেনা, জানালা বন্ধ করে নাক চেপে ক্লাস করছে কোন রকম।
অভিভাবক ফরিদ মিয়া বলেন, বহু দিন হেড স্যারকে বলেছি নতুন ওয়াশব্লক খুলে দিতে তিনি দেননি, প্রধান শিক্ষক নিজেই ব্যবহার করেন নতুন ওয়াশব্লক, বাচ্চাদের পাঠান ভাঙ্গা টয়লেটে।
এলাকাবাসী, অভিভাবক ও সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যসম্মত শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমদ বলেন, নতুন ওয়াশ ব্লকের কাজ শুরু করেছি। তবে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রমেন বিশ্বাস বলেন আরো ৬ মাস আগেই ওয়াশ ব্লকটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, খোঁজ নিয়ে দেখছি।
বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার উজ্বল রায় ট্রেনিংয়ে থাকায় উনার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page

Archive Calendar

Verified by MonsterInsights