
পলাশবাড়ী উপজেলায় ফেরি করে শাক কচু বিক্রিতেই চলছে নিত্য সংগ্রামী মুক্তার জীবন
মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ
স্টাফ রিপোর্টার
পলাশ বাড়ীতে শাক কচু বিক্রিতেই চলছে নিত্য সংগ্রামী মুক্তার জীবন ৩০ বছর বয়সী মোছাঃ মুক্তা বেগম। তবুও থেমে থাকছেনা তার জীবন গাড়ীর চাকা।
বেঁচে থাকার তাগিদে ছুটতে হয় প্রতিনিয়ত অসহায় এই নারীকে।
৯ই আগস্ট রবিবার সন্ধ্যায় পলাশবাড়ী চারমাথায় এক দোকানে বিক্রি করতে দেখা যায়।
জানতে চাইলে মুক্তা বলেন।
বাড়ী থেকে সকালে বের হয়ে আশপাশের গ্রাম থেকে কচু, যে শাক পাই, তা কুড়িয়ে আনি। কোনো ধরনের সার না থাকায় অনেকেই এসব পছন্দ করেন।
শাক বিক্রি থেকে প্রতিদিন প্রায় ২০০ টাকা আয় হয় তাঁর। এ টাকা দিয়ে নিজের খরচ মেটাই।
মুক্তার বাড়ী সাদুল্লাপুর উপজেলার ৬নং ধাপেরহাট ইউনিয়নের বয়ালিদহ গ্রামে। তিনি সারাদিন বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে কচু শাক সংগ্রহ করেন। আবার বিকেলে পর থেকে পলাশবাড়ীতে পায়ে হেঁটে বিভিন্ন দোকানে দোকানে বিক্রি করে এসব শাক কচু এবং সেই টাকায় জোগাড় হয় তার পেটের ভাত। নিজস্ব বাড়ী না থাকায় চাচার বাড়িতে থাকতে হয়।
এসব ভূখানাঙা জীবন সংগ্রামে অবতীর্ণ নারীর স্বামী নেই। তবে ছেলে সন্তান রয়েছে তাদের। তিনি বলেন জরুরী ভিত্তিতে টিউকল ও বাথরুম প্রয়োজন।
কে করবে তাদের পূর্নবাসনসহ আত্মনির্ভশীলতা এমনটাই ভাবছেন সচেতনমহল





