
সাদুল্লাপুরে কৃষি কর্মকর্তাকে জড়িয়ে ফেসবুকে ফটোকার্ড, প্রতিবাদ
গাইবান্ধা থেকে মোঃ আবু জাফর মন্ডলঃ
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্টাচার্যকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। ফটোকার্ডে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তোলা হলেও এর পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্টাচার্য বলেন, সার ডিলার নিয়োগসংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার এককভাবে কোনো ডিলার নিয়োগ, বাতিল বা সুপারিশ করার ক্ষমতা একক ভাবে রাখেন না। আবেদন যাচাই থেকে শুরু করে চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন পর্যন্ত একাধিক কমিটির মাধ্যমে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় কাজ সম্পন্ন হয়।
তিনি জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের জন্য পৃথক যাচাই কমিটি গঠন করা হয়। এসব কমিটি আবেদনকারীদের তথ্য সরেজমিনে যাচাই করে প্রতিবেদন উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির কাছে জমা দেয়। পরবর্তীতে কমিটির সুপারিশ জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির কাছে পাঠানো হয়।
অপূর্ব ভট্টাচার্য বলেন, তিনি উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে সাচিবিক ও তদারকির দায়িত্ব পালন করেন। ডিলার নিয়োগ বা বাতিলের বিষয়ে তাঁর একক সিদ্ধান্ত দেওয়ার কোনো আইনগত এখতিয়ার নেই। তাই তাঁকে জড়িয়ে ফেসবুকে প্রচারিত অভিযোগকে তিনি ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি নিয়মনীতি অনুসরণ করে কাজ করে আসছেন। কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রচার করলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারে।
এ ঘটনায় ফেসবুকে প্রকাশিত ফটোকার্ডের তথ্যের উৎস ও অভিযোগের ভিত্তি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। পাশাপাশি অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।





