
পূর্বধলার ডা. আতিকুর রহমান তালুকদার কমিউনিটি হেলথ রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের প্রশাসক
সাগর আহমেদ জজঃ
নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ
স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা ‘কমিউনিটি হেলথ রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন’-এর প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার জালসুকা এলাকার কৃতী চিকিৎসক ডা. মো. আতিকুর রহমান তালুকদার। সমাজসেবা অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা সমাজসেবা কার্যালয় থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়েছে।
গত ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জারি করা ওই অফিস আদেশে বলা হয়, সংস্থাটির বিদ্যমান কার্যনির্বাহী কমিটি সাময়িকভাবে ব্যবস্থাপনার আওতায় এনে পরবর্তী সাংগঠনিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ডা. মো. আতিকুর রহমান তালুকদারকে, প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকার ২২ বিজয়নগর ঠিকানায় অবস্থিত ‘কমিউনিটি হেলথ রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন’-এর নিবন্ধন নম্বর ঢ-০৪৭৯। স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এবং সংশ্লিষ্ট ১৯৬২ সালের বিধিমালার আলোকে তাঁকে সংস্থাটির প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগের পর প্রশাসককে সংস্থার অনুমোদিত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী কার্যনির্বাহী কমিটির কার্যক্রম স্থগিত রেখে গঠনতন্ত্রের বিধান অনুসরণ করে সদস্যদের মাধ্যমে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে বলা হয়েছে।
এরপর ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংস্থাটির সাংগঠনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কমিটি গঠনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রশাসককে সংস্থার কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতি মাসে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিস আদেশে আরও বলা হয়, এ নির্দেশনা অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে।
ডা. মো. আতিকুর রহমান তালুকদারের স্থায়ী ঠিকানা নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার জালসুকা এলাকায়। তাঁর প্রশাসক হিসেবে নিয়োগের মধ্য দিয়ে কমিউনিটি হেলথ রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের পরবর্তী সাংগঠনিক কার্যক্রম, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া এখন তাঁর তত্ত্বাবধানে এগিয়ে যাবে।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের এ উদ্যোগের ফলে দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের পথ সুগম হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।





