
গাজীপুরে পুলিশের সাফল্য: চতুর্থবার শ্রেষ্ঠ ওসি শাহীনুর, শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার শফিকুল
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: আল আমিন খান
গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও মাদকবিরোধী অভিযানে দায়িত্বশীল ভূমিকার স্বীকৃতি পেয়েছেন পুলিশের তিন কর্মকর্তা। এর মধ্যে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম চতুর্থবারের মতো গাজীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন। একই সময়ে কালিয়াকৈর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোঃ শফিকুল ইসলাম জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া শ্রীপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আব্দুল জলিল মাদকবিরোধী অভিযানে সক্রিয় ভূমিকার জন্য প্রশংসিত হয়েছেন।
পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষকে দ্রুত পুলিশি সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতি হিসেবে ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলমকে চতুর্থবারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত করা হয়েছে।
শ্রীপুর থানায় দায়িত্ব পালনের সময় মাদক, চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। তার নেতৃত্বে শ্রীপুর থানার আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, কালিয়াকৈর সার্কেলের এএসপি মোঃ শফিকুল ইসলাম অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান এবং মাঠপর্যায়ের পুলিশি কার্যক্রম তদারকিতে দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্কেল পর্যায়ে নিয়মিত তদারকি, অধীনস্থ কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব ক্ষেত্রে শফিকুল ইসলামের নেতৃত্ব ও তদারকি প্রশংসিত হয়েছে।
এদিকে, শ্রীপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আব্দুল জলিল মাদকবিরোধী অভিযানে সক্রিয় ভূমিকার কারণে প্রশংসা পেয়েছেন। বিভিন্ন অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সচেতন নাগরিকদের মতে, মাদকের বিস্তার পরিবার ও সমাজের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই মাদকবিরোধী অভিযানকে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারে এসআই আব্দুল জলিলের সক্রিয় ভূমিকা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তারা।
সচেতন মহলের প্রত্যাশা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশের এমন পেশাদার কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আস্থা আরও বাড়বে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে পাওয়া এ অর্জন শুধু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং দায়িত্বশীলতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করা পুলিশ সদস্যদের জন্যও এটি অনুপ্রেরণার।
গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে পুলিশের এমন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের





