
নেত্রকোনার পূর্বধলায় পৈতৃক ভিটা নিয়ে বিরোধ, আদালতে পৃথক মামলা
সাগর আহমেদ জজ,,
(নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের লেটিরকান্দা গ্রামে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে জমি উদ্ধার ও হুমকির অভিযোগে আদালতে পৃথক মামলা করেছেন মো. খায়রুল ইসলাম (৪৮)। মামলায় জয়নাল, মোফাজ্জল হোসেন, আবুল বাশার, সেলিম ও দুলাল মিয়াসহ কয়েকজনকে বিবাদী করা হয়েছে।
মামলার আরজি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন গ্রামের বাইরে ছিলেন খায়রুল। সম্প্রতি পৈতৃক ভিটায় বসবাসের উদ্দেশ্যে গ্রামে ফিরে আসলেও বিরোধের কারণে সেখানে উঠতে পারেননি। বর্তমানে তিনি অন্যত্র চার শতক জমি কিনে বসবাস করছেন।
অভিযোগে বলা হয়, ১৯৮৮ সালে জয়নাল গং ৯১৬ দাগের ১২ শতক ফসলি জমি ক্রয় করলেও পরবর্তীতে ৯১৩ দাগের প্রায় ২৩ শতক পৈতৃক ভিটা জোরপূর্বক দখল করে রাখেন। এছাড়া ওই জমিতে থাকা খায়রুলের বাবা-মায়ের কবরের আশপাশে নিয়মিত গরু-ছাগল বেঁধে রেখে বিরক্তি সৃষ্টির অভিযোগও তোলা হয়।
খায়রুলের দাবি, পৈতৃক ভিটায় ঘর তোলার উদ্যোগ নিলে জয়নাল, মোফাজ্জল হোসেন, আবুল বাশার ও দুলাল মিয়াসহ কয়েকজন তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে মারধর করেন। এ ঘটনায় তিনি আদালতে প্রথম মামলাটি দায়ের করেন। মামলা করার পর থেকে তা প্রত্যাহারের জন্য জয়নাল ও সেলিমসহ আসামিরা তাঁদের নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন।
ভুক্তভোগী খায়রুল ইসলাম বলেন, “বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া ভিটায় শেষ বয়সটা শান্তিতে কাটাতে চাই। ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতেই আইনের আশ্রয় নিয়েছি।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. সেলিম মিয়া বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। দলিলের কিছু ভুলত্রুটি ছিল, যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও খায়রুল ইসলাম বসতে রাজি হননি।”





