
বীরগঞ্জে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রচারেই সীমাবদ্ধ কার্যক্রম, প্রশ্ন বাস্তব ভূমিকা নিয়ে
মোয়াজ্জেম সরকার রুবেল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বিভিন্ন সময় উঠান বৈঠক, সচেতনতামূলক সভা ও প্রচার-প্রচারণা চালানো হলেও বাস্তবে বাল্যবিবাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বললেই চলে।
কিছু ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বয়স গোপন করে কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তথ্য এড়িয়ে গোপনে বিয়ে সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হয়। এ ধরনের ঘটনায় কিছু কাজীর বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে বিয়ে সম্পন্ন করে।
গোপনে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ায় পরবর্তীতে বিষয়টির প্রমাণও অনেক সময় সামনে আসে না এবং সংশ্লিষ্টরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান।
সচেতন মহলের প্রশ্ন, বাল্যবিবাহের খবর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পরও যদি কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে শুধু সভা, উঠান বৈঠক ও প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে কতটা পরিবর্তন সম্ভব?
তাদের মতে, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে শুধু কর্মসূচি আয়োজন ও প্রচার নয়—বিবাহ নিবন্ধনের আগে বয়স যাচাই, কাজীদের কার্যক্রমে কঠোর নজরদারি, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের নামে শুধু কর্মসূচির আয়োজন নয়, মাঠপর্যায়ে কার্যকর নজরদারি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হোক। তাহলেই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের উদ্যোগ বাস্তবে কার্যকর হবে বলে মনে করছেন তারা।





